সোমবার, ২৩শে আগস্ট, ২০২৬ ইং, রাত ২:০৫
শিরোনাম :
পরিচ্ছন্ন ও নান্দনিক বরিশাল সদর উপজেলা বিনির্মাণে ইউএনও ফরিদা সুলতানার নেতৃত্বে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম মন্ত্রিসভায় রদবদল, কে কোন মন্ত্রণালয় পেলেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে নেপালের রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হলেন হুমায়ুন কবির বরিশালে বার্তা সম্পাদক ফোরামের নতুন সভাপতি বাবলু, সম্পাদক রুবেল ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বায়েজিদ ঢাকা মেট্রোপলিটন প্রেস ক্লাবের সভাপতির মায়ের অস্ত্রোপচার রোববার: সুস্থতা কামনায় সর্বস্তরের দোয়া প্রার্থনা বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফরিদা সুলতানার নেতৃত্বে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান এর অভিনন্দন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী

ইরানের সঙ্গে হয় অর্থবহ চুক্তি, নয়তো কোনো চুক্তিই নয়: ডোনাল্ড ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও আঞ্চলিক নীতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে এক কঠোর বার্তা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, তেহরানের সঙ্গে যেকোনো চুক্তি হতে হলে তা হতে হবে অত্যন্ত অর্থবহ এবং আমেরিকার স্বার্থের অনুকূলে, অন্যথায় কোনো চুক্তিই সই করবে না ওয়াশিংটন।

নিজের পোস্টে ট্রাম্প সরাসরি উল্লেখ করেন, ইরানের সঙ্গে চুক্তি হলে তা হবে একটি ‘মহা এবং অর্থবহ চুক্তি’, আর তা না হলে আদৌ কোনো চুক্তি হবে না। ট্রাম্পের এমন মন্তব্যকে তেহরানের ওপর ওয়াশিংটনের সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের কৌশলের ধারাবাহিকতা হিসেবেই দেখছেন আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই বার্তার ঠিক আগেই মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও প্রায় একই ধরনের সুর মিলিয়ে একটি কড়া বক্তব্য দেন। রুবিও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র হয় ইরানের সঙ্গে একটি শক্তিশালী ও স্থায়ী চুক্তি নিশ্চিত করবে, আর তা সম্ভব না হলে সম্পূর্ণ ভিন্ন উপায়ে তেহরানের মুখোমুখি হবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই ‘ভিন্ন উপায়ের’ হুঁশিয়ারি এবং পরবর্তীতে ট্রাম্পের অনমনীয় অবস্থান থেকে এটি পরিষ্কার যে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের প্রভাব বিস্তার রোধে এবং তাদের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন কোনো ধরনের ছাড় দিতে রাজি নয়। ওয়াশিংটনের এমন কঠোর অবস্থানের পর ইরান এই বিষয়ে কী প্রতিক্রিয়া দেখায়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।